fbpx
Sale!

WordPress Speed Optimization

৳ 1,900

  • ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের গতি বাড়ান!
  • মোট ক্লাসঃ ২টি
  • ক্লাসের ব্যপ্তিঃ ১ ঘন্টা
  • সময়ঃ প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১২টা
  • নতুন ব্যাচঃ সপ্তাহে ১টি
  • যা যা লাগবেঃ পিসি/ল্যাপটপ (মোবাইলে সম্ভবই না)
Category:

Description

অনেকেই বলেন ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েব সাইটের স্পিড ভালো হয়না। অনেকে আবার যারা ওয়ার্ডপ্রেস এর সাথে বেশি অভিজ্ঞ না, তারা এটাই বলে দেন যে ওয়ার্ডপ্রেসে স্পিড বাড়ানো সম্ভব না। সত্যিই কি তাই?

ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। অন্যদিকে ওয়াডপ্রেস উকমার্স প্লাগিন ব্যবহার করে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি কমার্স ওয়েবসাইট তৈরি হয়েছে। তাই এটা চোখ বুঝেই বলা যায় যে ওয়াডপ্রেস এর মধ্যে কিছু একটা তো আছে, যা একে অনন্য করেছে। যাই হোক এবার তাহলে চোখ বুলাই সামান্য কিছু বিষয়ের উপরে, যেখানে কাজ করলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস হবে আরও ফাস্ট এবং আরো স্মুদ।

হোস্টিং:
সবার আগে বলবো হোস্টিং এর কথা। এক্ষেত্রে নেম চিপ এর ফ্যানরা খুব কষ্ট পেতে পারেন। বাংলাদেশের অধিকাংশ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা মনে করেন পৃথিবীতে একমাত্র নেইমচিপ নামে একটা কোম্পানি আছে, যারা ডোমেইন হোস্টিং প্রদান করেন। কারণ তাদের নামের মধ্যে “চিপ” শব্দ টা আছে। কিন্তু সস্তার তিন অবস্থা, এটা ভুললে চলবে না কিন্তু। একদমই বেসিক একটা সাইটের জন্য নিম চিপ বা যে কোন শেয়ার্ড হোস্টিং ঠিক আছে। তবে ভালো কিছু করতে চাইলে, গতি দিয়ে কাস্টমার কে ইমপ্রেস করে সেল আদায় করে নিতে চাইলে আপনাকে নিতে হবে ভিন্ন পন্থা। সে ক্ষেত্রে মোটামুটি অনেক কম খরচে ক্লাউড হোস্টিং পেতে পারেন। মাসে মাত্র 1900 টাকার মধ্যেই যেখানে অ্যামাজনের AWS ক্লাউড হোস্টিং নিতে পারেন মুম্বাই কিংবা সিঙ্গাপুরের মতো কাছাকাছি লোকেশনের, সেখানে সস্তা সলিউশন এর দিকে না যাওয়াই ভালো। কিছু টাকা বাঁচাতে গিয়ে পুরো ব্যবসাটা এই বাঁচানো মুশকিল হয়ে যায়। আর নামকা ওয়াস্তে US সার্ভার মানেই আপনার জন্য ভালো সলিউশন না। বাংলাদেশের জন্য USA সার্ভার মানেই হচ্ছে সবচেয়ে দূরের সার্ভার। মানেই হচ্ছে বেশি সার্ভার লোড টাইম। মাইন্ড ইট!

ওয়ার্ডপ্রেস থিম:
মনে রাখবেন সব সময়ই প্রিমিয়াম থিম মানেই বেস্ট সলিউশন না। আর প্রিমিয়াম থিম এর ক্র্যাক ভার্সন তো মোটেও না। কিছু কিছু সময় থাকে যখন তিনি স্ক্র্যাচ থেকে বানিয়ে নেয়াটাই ভালো হয়। সে ক্ষেত্রে আপনি কেবল ততটুকু রিসোর্স বা ফাইল ব্যবহার করছেন যতটুকু আপনার কেবল দরকার। থিমের ফাইল লোডিং এর উপরে ওয়াডপ্রেস ওয়েবসাইটের ফার্স্ট টাইম ইম্প্যাক্ট ফেলে।

প্লাগিন সীমিত ব্যবহার করা:
অলরেডি ই-কমার্স ওয়েবসাইট এ, উ কমার্স প্লাগিন কিন্তু ব্যবহার হচ্ছে। আপনি যত কম এক্সটার্নাল প্লাগিন ব্যবহার করবেন, তত কম HTTP রিকেয়েস্ট, ততই কম লোড টাইম।

ফাইল ক্যাসিং:
ওয়ার্ডপ্রেসের ফাইল ক্যাসিং করার মাধ্যমে, লাস্ট নেটওয়ার্ক ক্যাসিং করার মাধ্যমে, অলরেডি ভিউ করা ফাইলগুলো লোড নেবে অনেক বেশি দ্রুততর সময়ে।

CDN বা কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক:
কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক আপনার নেটওয়ার্ক লেটেন্সি কমাবে সেই সাথে সার্ভার ব্যান্ডুইথ থেকে ও লোড কমিয়ে ফেলবে। CDNএর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের স্ট্যাটিক ফাইল ডেলিভার হবে কাস্টমার এর কাছাকাছি লোকেশন থেকে। এতে করে স্পিড আরেকদফা বেটার হবে।

ওয়াডপ্রেস কোর এবং প্লাগিন আপটুডেট রাখা:
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকটা ফাইল সিস্টেম, আপডেট Patch রিলিজ ই হয় সাইট কে স্মুদ এবং সিকিউর করার জন্য। রেগুলার আপডেট রাখা একটি ভালো প্র্যাকটিস। তবে কাস্টমাইজ করা থিম বা প্লাগিন আপডেট করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যাকআপ রাখতে হবে।

সর্বোপরি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটটি প্রফেশনালভাবে এবং প্রফেশনাল ডেভলপার দিয়ে সুন্দর ভাবে গুছিয়ে নিতে পারলে দেখবেন, আপনার সাইটটি ও হয়ে উঠবে অনেক বেশি প্রাণবন্ত এবং সুপারফাস্ট!

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “WordPress Speed Optimization”

Your email address will not be published. Required fields are marked *